আমি আহলে হাদিসদ জনগণের ভেতর একটি ভালো গুণ পেয়েছি, তারা পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে পারে।
যদি তাদের আলেমরা তাদেরকে বলে দেয় যে, অমুক কাজটা বেদাত, তাহলে তারা সে কাজটি ছেড়ে দেয়। অর্থাৎ যদি তাদের কাছে কোরআন হাদিসের দলিল উল্লেখ করে কিছু বলা হয়, তারা সেটা মানে। (প্রকৃতপক্ষে সেই বুঝটা সঠিক না ভ্রান্ত সেটা ভিন্ন আলোচনা।)
হানাফী জনগণের ভেতরে এই বিষয়টার অভাব পেয়েছি। তারা পরিবর্তন গ্রহণ করতে চায় না। হানাফী আলেমরা যদি কোন বিষয় বেদাত আখ্যা দেয়, সেটা মানার বদলে জনগণ তার চাকরি ধরে টান দেয়।
যেমন আমি এক মসজিদে ইমাম সাহেব ছিলাম। সেখানে রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে তারাবি ও বেতেরের মাঝে (নিয়মিত) ৪ রাকাত নামাজ পড়া হয়।
আমি বললাম, কদরের নামায ঐচ্ছিক। বিতিরকে সামনে রাখলে তো মানুষ এ নামাজ পড়তে বাধ্য হয়। যাদের ব্যাস্ততা আছে তারাও মসজিদ থেকে বের হতে পারে না। তাছাড়া কদরের নামায জামাতবদ্ধ হয়ে না পড়াই ভাল। ভবিষ্যতে মানুষ একে সুন্নাত মনে করতে পারে। অতএব বিতরের পর যার যতটুকু ইচ্ছা নামাজ পড়ে নেবেন। বিতরের আগে নয়।
ব্যাস শুরু হয়ে যায় সমালোচনা…
লিখন: উমর ফারূক তাসলিম